হাসপাতালে থাকতে থাকতে প্রতিমা এটুকু বুঝে গেছে যে ডাক্তারবাবুরা কখনো ভালো খবর দিতে ডাকেননা। আর সেইজন্যেই নাম ধরে ডাক পড়লেই তার বুক কাঁপে।
সেদিনও কাঁপল।
ডাক্তারবাবুর প্রায় মিনিট পনেরোর আধা ইংরেজি বক্তব্যের সার যা বোঝা গেল, তা হল তুলিকে সুস্থ করে তোলার আর কোনও ক্ষমতা এই সরকারি হাসপাতালের নেই, তাই তারা তাকে এইবার বাড়ি ফিরিয়ে দিতে চায়। পুজোর সময়টায় ডিউটিতে লোক কম থাকে, তাই, পেশেন্টদেরও ছুটি দেওয়া জরুরী।
মেয়ের কাছে এ কথা কিভাবে পাড়বেন ভাবতে ভাবতে ওয়ার্ডে ফিরে দেখেন অবাক কান্ড! মেয়ে সিস্টারদের থেকে জানতে পেরেছে আর কদিন বাদে পুজো। শুনে তার বেদম চিন্তা হয়েছে যে তালে হাসপাতালে বসে তার নতুন জামা হবে কোত্থেকে।
বাড়ি ফেরবার কথায় তো তার হাসি আর ধরেই না! এ যেন তার ইস্কুলের পুজোর ছুটি!
শুধু ফেরার পথে মাকে সে একবারই জিজ্ঞেস করেছিল, সাবলীল বিস্ময়ে,"মা, আবার কবে আসতে হবে?" মেয়ের ন্যাড়া হয়ে যাওয়া মাথায় হাত বুলিয়ে প্রতিমা বলেছিল, "আর আসতে হবে না রে, মা, কক্ষনো।"
সেদিনও কাঁপল।
ডাক্তারবাবুর প্রায় মিনিট পনেরোর আধা ইংরেজি বক্তব্যের সার যা বোঝা গেল, তা হল তুলিকে সুস্থ করে তোলার আর কোনও ক্ষমতা এই সরকারি হাসপাতালের নেই, তাই তারা তাকে এইবার বাড়ি ফিরিয়ে দিতে চায়। পুজোর সময়টায় ডিউটিতে লোক কম থাকে, তাই, পেশেন্টদেরও ছুটি দেওয়া জরুরী।
মেয়ের কাছে এ কথা কিভাবে পাড়বেন ভাবতে ভাবতে ওয়ার্ডে ফিরে দেখেন অবাক কান্ড! মেয়ে সিস্টারদের থেকে জানতে পেরেছে আর কদিন বাদে পুজো। শুনে তার বেদম চিন্তা হয়েছে যে তালে হাসপাতালে বসে তার নতুন জামা হবে কোত্থেকে।
বাড়ি ফেরবার কথায় তো তার হাসি আর ধরেই না! এ যেন তার ইস্কুলের পুজোর ছুটি!
শুধু ফেরার পথে মাকে সে একবারই জিজ্ঞেস করেছিল, সাবলীল বিস্ময়ে,"মা, আবার কবে আসতে হবে?" মেয়ের ন্যাড়া হয়ে যাওয়া মাথায় হাত বুলিয়ে প্রতিমা বলেছিল, "আর আসতে হবে না রে, মা, কক্ষনো।"
No comments:
Post a Comment